শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

সুরভিত মিনার শাইখ মাকবুল হুসাইন আসগরী

সুরভিত মিনার শাইখ মাকবুল হুসাইন আসগরী

সুরভিত মিনার শাইখ মাকবুল হুসাইন আসগরী

(পর্ব-০১)

আবদুল কাদির মাসুম :: যেখানে উদয় হতো সফেদ কবুতরের পাখনার মতো শুভ্র-শান্ত নরোম ভোর, যেখানে প্রেমের পরশ দিয়ে জ্বালানো হতো সত্যজীবনের তপ্ত শিখা, যেখানে চন্দ্র জ্যোৎস্নার দুগ্ধ ঝরত এবং তার ঢলে জীবিত হত সহস্র মর্ত্যলোক, যেখানে বয়ে যেত অনন্তের ধারাভাষ্য, যেখানে পুষ্পের পাপড়ি সৌরভ ছড়াত রাশি রাশি, যেখানে ভ্রমর ভিড় জমাত সুবাস নিতে সারি সারি, যেখানে হিমজলে তৃপ্ত করা হত তৃষিতের আত্মা, যেখানে পুণ্যশিশির দিয়ে বিধৌত করা হত আত্মার দর্পণ, যেখানে সরাসরি আকাশ থেকে নামত প্রিয় অমৃতসুধা, যেখানে প্রবাহিত হত হৃদয়রাজ্যে দুধেল ঝরণা, যেখানে জন্ম দেওয়া হত স্বর্গমানব, যেখানে স্নান করানো হত প্রতিটি মানবকে স্বচ্ছ ফোঁয়ারার পানি দিয়ে, যেখানে ডেকে বলা হত- এসো সেই উৎসবে যেখানে ভরে দেওয়া হয় স্মৃতিতে জ্ঞান ও তত্ত্বের দ্যোতনা, এসো, সময়ের কাঁটাগুলো খুলি একে একে, এসো, হৃদয় আকাশ সাজাই প্রদীপ্ত সূর্য্য আর ঝলমলে তারা দিয়ে।

হ্যাঁ, আমার প্রিয় উস্তাদ, হাজারো আলেমের উস্তাদ, বরেণ্য আলেমেদ্বীন, জামিয়া ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ, জামেয়া দারুস সালাম, জামেয়া দারুল উলূম মৌলভিবাজারের সাবেক ও শাহপরাণ মাদ্রাসার বর্তমান শাইখুল হাদীস, শাইখুত তাফসীর ওয়াল হাদীস মাওলানা মাকবুল হুসাইন আসগরী (উলুয়ার হুজুর) রহ.-এর কথাই বলছি।

কত সহস্র তালিবুল ইলম হেরার ডাক নিয়ে সূর্যোদয়ের আলোতে প্রভাত-স্নান করেছে এখানে প্রত্যহ সকালে এবং বিকেলে গায়ে মেখেছে সুস্থ চিন্তার পাঠ দিয়ে সূর্যাস্তের দীপ্ত কিরণ। তাঁর সুচিন্তিত সুবিন্যস্ত পঠন কত ছাত্রের হৃদয়ে বাতি জ্বালিয়েছে এবং কত হৃদয় জ্যোতির্ময় করেছে তার হিসেব অসাধ্য। তাঁর প্রতিটি আলাপন জাগিয়ে তুলত মর্ত্যাত্মায় জলপ্রপাতের আবেগে প্রত্যয় ও প্রেরণা। তাঁর প্রতিটি বচন হত হিমজলের সিক্ততার অনুপম সুধা। তাঁর প্রতিটি শব্দ হত দিগন্তজুড়ে অমর্ত্যলোকের আত্মপ্রশান্তি ও মহিত ধ্বণি এবং বিলেপন করত এক অজানা সুরের প্রবাহ। তিনি ছিলেন স্ফটিকস্বচ্ছ তরঙ্গময় মোহনার ফোয়ারা। তাঁর হৃদয় সাত সমুদ্রের চেয়েও বড়, আকাশ ও পৃথিবী থেকেও বিশাল ছিল।

২০১২ সালের একদিনের বিকেলের কথা। হুজুর তাঁর রুমে শুয়ে একটি কিতাব মুতালাআ করছেন। কিতাবটি সম্ভবত সহীহ বুখারীর শরাহ ‘উমদাতুল কারী’ ছিল। আমি তখন মুখতাসার জামাতে পড়ি। তরমজমায়ে কুরআনে সুরা বাকারা শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় আয়াতে আমার একটি এশকাল জাগে। ভয়ে ভয়ে হুজুরের রুমে ঢুকলাম। সালাম কালামের পর জিজ্ঞেস করলেন- কেয়সে আয়া? আমি এ বাক্যের অর্থ বুঝেছি হুজুর বোধ হয় প্রশ্ন করছেন- কীভাবে এসেছো? আমি আমার জাহিলানা অর্থকে সঠিক ভেবে উত্তরে বললাম- হুজুর, এই তো মুখতাসারের ক্লাশরুম থেকে হেঁটে হেঁটে আপনার রুমে সালাম দিয়ে অনুমতি নিয়ে ঢুকেছি। হুজুর আমার উত্তর শুনে হাসতে হাসতে ওঠে বসলেন এবং বললেন- তোমাকে কি আমি এই খামাকা উত্তরের প্রশ্ন করেছি! জিজ্ঞেস করলেন- নাম কী? বললাম। আবার জিজ্ঞেস করলেন- কোন জামাতে পড়ো? বললাম- মুখতাসার। তারপর আমাকে ধমক দিয়ে বললেন- বেটা! মুখতাসারে পড়ো অথচ উর্দু ভালো করে জান না! আফসোস করতে করতে উর্দুর প্রতি বর্তমানে ছাত্রদের গাফলতির হালত তুলে ধরলেন। এরপর বললেন- বেটা! উর্দু মুহাবারায় (বাগধারায়) ‘কেয়সে আয়া’ অর্থ কীভাবে এসেছো’ না, বরং ‘কেন এসেছো’ এই অর্থে আসে। বলো কেন এসেছো? কী দরকার? পেশ করলাম এশকালটি যে, আল্লাহ বলেছেন – এই কুরআনে কোন সন্দেহে নেই, অথচ বাস্তবতা তো হল পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ একে নিয়ে সন্দেহ করে?

হুজুর বললেন, দ্যাখো কেউ যদি কালো চশমা লাগিয়ে পৃথিবীটাকে কালো আর অন্ধকার দেখে, তাহলে বাস্তবেই পৃথিবী কি কালো অন্ধকার হয়ে গেল? অবশ্যই না। তদ্রূপ যারা সন্দেহ করে তাদের মনের ওপর একটি সন্দেহের অন্ধকার চশমা লাগানো। তাই আয়াতে আয়াতে শুধু সন্দেহ উদ্রেক হয় তাদের। এক্সরে মেশিনের ভেতরে যদি তেলাপোকা থাকে যতবারই পরীক্ষা করো না কেন, রিপোর্টে তেলাপোকাই ভাসবে। ভেতরের তেলাপোকাটা বের করে নাও, অন্ধকারের চশমাটা খুলে ফেল, দেখবে কারো কোন সন্দেহ থাকবে না। তাহলে সমস্যা তো কুরআনে না, সমস্যা নিজের মধ্যে। এজন্যই আল্লাহ ‘লা রাইবা ফীহ’ তাতে সন্দেহের লেশমাত্রও নেই’ বলেছেন, ‘লা মুরতাবা ফীহ’ এর ব্যাপারে কোন সন্দেহকারী নেই’ বলেননি। তাহলে তো আল্লাহর কথার সাথে বাস্তবতার কোন বিরোধ নেই।

সুযোগ বুঝে বললাম, হুজুর! আরো একটি প্রশ্ন করতে চাচ্ছিলাম যদি অনুমতি হয়? বললেন, করো। জিজ্ঞেস করলাম, হুজুর! কাফিয়ার বছর থেকে জেহেনে এ এশকালটি যে, আমরা তো জানি আরবী ভাষায় لَعَلَّ অব্যয়টি তারাজ্জী তথা আশা করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। আর আশা তো সেই করে যে ভবিষ্যত জানে না। আল্লাহ তো ভবিষ্যত জানেন, তাহলে তিনি কেন কুরআন মজীদে এই ‘লাআল্লা’ ব্যবহার করেন? জবাবে হুজুর বলেছিলেন, এটি আল্লাহ বাদশাহী তরজের কালাম করেছেন। দেখবে, রাজা-বাদশাহদের কাছে কোন কিছু চাওয়া হলে সরাসরি বলে না ‘আচ্ছা ঠিক আছে, হয়ে যাবে’। কারণ এতে তার কিছুটা দুর্বলতা প্রকাশ পায় এভাবে যে, আবেদনকারীর প্রভাব বাদশাহর ওপর এতটুকু যে চাওয়ার আগেই বাদশাহ তাকে দিতে প্রস্তুত হয়ে আছেন এবং এর দ্বারা বাদশাহর ওপর তার শ্রেষ্ঠত্ব জাহির হয়। তাই রাজা-বাদশাহরা বলেন ‘দেখা যাক’। সুস্পষ্ট না বলে এভাবে আশাব্যঞ্জক করে বলেন। আর তাদের বলা ‘দেখা যাক’ মানেই নিশ্চিত হবেই। তো আল্লাহ সুবহানাহুও তাঁর কালামে পাকে ‘তরজে মুলূক’ (রাজা-বাদশাহগণের বাচনপদ্ধতি) এখতিয়ার করে ‘লাআল্লা’ ব্যবহার করেছেন। তাহলে ‘উ’বুদূ রাব্বাকুম…লাআল্লাকুম তাত্তাকূন’ আয়াতটি আনো। অর্থ দাঁড়ালো এই যে, তোমরা আমার এবাদত করো। দেখি চাইলে তোমাদেরকেও তাকওয়া গ্রহণের তাওফীক দিবো। তবে তোমাদের সহস্র-কোটি এবাদতে আমি একটুকুও প্রভাবিত হই না; আমি সম্পূর্ণ বেনিয়াজ। তাহলে আল্লাহ তায়ালা যেন এই ‘লাআল্লা’ ব্যবহার করে পরোক্ষভাবে আমাদের আকিদারও বিশুদ্ধায়ন ঘটিয়েছেন।
উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে কি চমৎকার জবাব দিয়েছিলেন হযরত রহ.। বললাম, হুজুর! বড় ইতমেনানবখশ জবাব। এরচেয়ে সুন্দর জবাব আর কী হতে পারে!

এবারে হুজুর আমাকে বললেন, দ্যাখো বেটা! তরজমায়ে কুরআন অবশ্যই কোন হুজুরে পড়ান। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিয়ম হল, যেই হুজুর যেই কিতাব পড়ান, ছাত্র দরসের বাইরে কিতাবের কোন জায়গা বুঝতে কষ্ট হলে সরাসরি ঐ উস্তাদের শরণাপন্ন হওয়া। প্রথমেই যিনি পড়ান তার কাছে না গিয়ে অন্যের কাছে যাওয়া আদবের খেলাফ এবং তা ঐ হুজুরের প্রতি এক প্রকারের অনাগ্রহ প্রকাশ যা প্রতিষ্ঠানের জন্য এক সময় কাল হতে পারে। তবে হ্যাঁ, মাদরাসা বন্ধের সময় বা প্রতিষ্ঠানের বাইরে এমনভাবে সুয়াল করা যেতে পারে যাতে ঐ হুজুরের কোন মানহানি না হয়।

আমি ‘জি ইন শা আল্লাহ’ বলে হুজুরের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসলাম। এসেই হুজুরের উত্তর দুটি ডাইরিতে লিখলাম। সেই থেকে হুজুরের প্রতি ভালো লাগা, আগ্রহ আর তাঁর নিকটবর্তী হওয়ার পরিকল্পনা। আমরা যখন মুখতাসার জামাতে পড়তাম তখন হুজুরের মাদরাসায় দুইটা ক্লাশ নিতেন; জালালাইন জামাতে ‘আলফাউযুল কাবীর’ এবং দাওরা হাদীসে ‘সহীহ বুখারী’। ভাবলাম এ বছর তো আর হুজুরের নিকট যেতে পারবো না, তাহলে আগামী বছর জালালাইনে হুজুরের ঘণ্টা থাকবে সে সুবাদে নিকটবর্তী হবো। পরের বছর জালালাইন জামাতে ওঠলাম। শুনলাম হুজুর এ বছর জালালাইন জামাতের ‘আলফাউযুল কাবীরের’ ঘণ্টাটি নেননি শারীরিক চাপ পড়ে যায় বলে। এ খবর যেন ভর দুপুরের আকাশে শুনে হঠাৎ মেঘ জমা করে দিয়েছিল। হুজুরের প্রতি আমার আগ্রহের বিশেষ আরেকটি কারণ ছিল হুজুরকে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বয়ানের সময় বলতে শুনতাম ‘আমার উস্তাদ হযরত লাহোরী বলেছেন…’, ‘আমার উস্তাদ হযরত কান্ধলবী বলেছেন…’, ‘আমার উস্তাদ হযরত রসূল খান সাহেব বলেছেন…’। ভাবতাম এত বড় বড় মানুষের সাহচর্যপ্রাপ্ত এত জামে শখসিয়ত (সর্বপূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব) আমাদের জামেয়ায় আছেন তাঁর ফয়েজ না নিতে পারলে এরচে’ বড় মাহরুমী আর কী হতে পারে? মেশকাতের বছরও হুজুরের কোন ঘণ্টা ছিল না। আবার ঐ নসিহতের কারণে কোন প্রশ্ন নিয়েও যেতাম না। আমি নাদানেরও প্রশ্ন ছাড়া অন্য কোন মাধ্যম ধরে হুজুরের খেদমতে যাওয়ারও কোন কৌশল জানা ছিল না। তাই হুজুরের কোন খেদমত করা যায় কি-না সুযোগ তালাশে সব সময়ই থাকতাম। হুজুরের ছেলে মারুফ (এখন মাওলানা মারুফ হাফি. এবং জামেয়া শাহপরাণের সম্মানিত শিক্ষক) ও নাতি মাকনুনের (এখন হাফিজ মৌলবী মাকনুন) সাথে আগে থেকেই সখ্যতা গড়ে ওঠেছিল। তাদের সাথে সুসম্পর্ক ছিল।

সিলেট সিটির চৌহাট্টা পয়েন্টস্থ আলপাইন রেষ্টুরেন্টের মুরগী খুরমা দিয়ে পরটা হুজুরের খুব প্রিয় ছিল। একদিন শুক্রবার সকালে রুম থেকে হুজুর বের হয়ে আমাকে পেলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন আলপাইন রেস্টুরেন্ট চিনি কি-না, কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি আনতে পারবো কি-না। অনেক দিনের সেই প্রতীক্ষিত সুযোগ এসে গেল। ‘জি ইন শা আল্লাহ’ বলেই দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নামতে যাবো পেছন থেকে ডাক দিলেন এবং বললেন, টাকা নিলে না? আমি বললাম, হুজুর! আজ আমার পক্ষ থেকে হাদিয়া থাকুক…। হুজুর বললেন, তোমার অভিভাবক তুমি না, তোমার বাবা। সুতরাং তোমার টাকার অভিভাবকও তোমার বাবা। তোমার বাবা কি টাকা তুমি ছাড়া অন্য খাতে ব্যয় করতে অনুমতি দিয়েছেন? ধমক দিয়ে বললেন, এই টাকাগুলো নাও আর যেদিন অনুমতি আনবে সেদিন তুমি নিয়ে এসো। আমি কোন কিছু না বলে শুধু ‘জি’ উচ্চারণ করে টাকাগুলো নিয়ে দ্রুত ছুটলাম আলপাইনের দিকে। খুব অল্প সময়ের ভেতরে খুরমা ও রুটি নিয়ে ফিরলাম। এটা ছিল মেশকাতের বছরের শেষ দিকের ঘটনা। এ বছর এটাই প্রথম ও শেষ খেদমত।

পরের বছর দাওরায় ভর্তি হলাম। ২২/০৯/২০১৪ ইং দাওরার প্রথম দিনের ক্লাশ। হুজুর কখন আসবেন আমি অপেক্ষমান। দ্বিতীয় ঘণ্টা ছিল হুজুরের। হুজুর এলেন দরসে। আমার কত খুশি, কি আনন্দ! প্রথম দিনের দরসে এসে হুজুর বললেন, কেউ ক্লাশ নাগা (অনুপস্থিতি) করতে পারবে না। মনে রাখবে একদিন যদি দরসে না থাকো তাহলে সেদিন দরসে যতগুলো হাদীস পাঠ হবে তোমার জন্য সেগুলোর সনদ মুনকাতি হয়ে যাবে যা বড় আইব্ এবং তোমার সনদও দুর্বল হবে। হুজুরের ক্লাশে যথারীতি পূর্ণ আদব নিয়ে প্রস্তুতিসহকারে বসতাম। হুজুর বুখারী শুরু করার আগে হাদীস সংশ্লিষ্ট লম্বা ভূমিকা বলতেন। শেষ হতো চার-পাঁচদিনে। দরসের তৃতীয় দিন থেকেই ক্লাশে হাদীস সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জটিল প্রশ্নগুলো হুজুরের সামনে পেশ করা শুরু করলাম। হুজুর হাসিমুখে জবাব দিতেন। মারুফ একদিন আমাবে বলল, মাসুম ভাই! আব্বা আজকে হিফজের আব্দুল গাফ্ফার সাহেব হুজুরের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে বলেছেন, এ বছর দাওরায় মাসুম নামের এক ছাত্র আছে। না জানি সে কত কিতাব মুতালাআ করে বসে; এত কঠিন কঠিন এশকাল করে যা অনেকেই করে না বা যেহেনেই আসে না। এ কথা শুনে মারুফকে বলেছিলাম, ভাই! আসলে আমি এত কিতাব মুতালাআ করে বসি না আর জটিল জটিল প্রশ্নের উদ্দেশ্য তাদাখুলি (মিশ্র নিয়ত), জানাও উদ্দেশ্য, সাথে সাথে হুজুরের মনযোগ আকর্ষণ করে নিকটবর্তী হওয়াও।

ইন্না লিল্লাহ! আমি হুজুরের জীবনী লিখতে বসে নিজের আত্মকাহিনী বলা শুরু করে দিয়েছি। দুঃখিত পাঠক! আমার আবেগ কলমকে কখন আমার নিয়ন্ত্রণ থেকে নিয়ে গেল বলতেই পারলাম না এবং লিখিয়ে নিল অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা। আসলে আবেগের স্রোতকে নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। ইন শা আল্লাহ সামনে আবেগকে এমন হতে দেবো না। তাহলে এবার ঢুকে পড়ি জন্ম থেকে নিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত এক বিশাল কিংবদন্তির জীবন বাগানের বিভিন্ন প্রজাতির সমারোহের ভেতরে…
(চলমান)

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved 2018 shilonbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com