সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

প্রসঙ্গ জয় শ্রী রাম : নীরব কেন সুশীল সমাজ?

প্রসঙ্গ জয় শ্রী রাম : নীরব কেন সুশীল সমাজ?

প্রসঙ্গ জয় শ্রী রাম : নীরব কেন সুশীল সমাজ?

দেশের সুশীল সমাজকে উদ্দেশ্য করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাাদেশের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতী দেলাওয়ার হোসাইন সাকী বলেন, জয় শ্রী রাম না বলায় উত্তরপ্রদেশের চান্দৌলি জেলায় ১৫ বছরের মুসলিম কিশোরকে বেঁধে তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিল উগ্রবাদী হিন্দুরা।

রোববার রাতে ঘটনাটি ঘটে এবং ছেলেটিকে বারাণসীর কবির চোরা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত।

কতটা নির্মম জয় শ্রীরাম শ্লোগান দিয়ে মুসলিম অত্যাচার করা নরপিশাচগুলো। প্রত্যেক দিন একটার পর একটা মুসলিম, দলিত সম্প্রদায়ের উপর ধর্মান্ধ উগ্রবাদীরা জয় শ্রীরাম শ্লোগান দিয়ে পাশবিক নির্যাতন করছে!

আফগানিস্তানে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা, বি বাড়িয়া নাসিরনগরে হিন্দুদের উপর আক্রমণ, রামু বৌদ্ধ মন্দিরে অগ্নি সংযোগসহ ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপর নির্যাতন হলেই বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী সুশীল সমাজ প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।

পরিতাপের বিষয় ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নানা হয়রানি নির্যাতন ও হত্যার পরও তারা রহস্যজনক নীরবতা পালন করছেন।

প্রসঙ্গত, মুসলিম কিশোরকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছে হিন্দুত্ববাদীরা। অপরাধ কিশোর বলেনি জয় শ্রী রাম। জয় শ্রী রাম স্লোগান দিতে রাজি না হওয়ায় ভারতের উত্তরপ্রদেশে ১৫ বছর বয়সী এক মুসলিম কিশোরের শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দেশটির কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদীরা। শুক্রবার প্রদেশের চন্দওলি জেলায় নির্মম এই ঘটনা ঘটে। ওই কিশোর বর্তমানে রাজ্যের একটি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস বলছে, ১৫ বছরের ওই কিশোর বারানসির কবির চওরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ওই কিশোর বলেন, আমি দুধহারি সেতুতে হাঁটছিলাম। এমন সময় চারজন ব্যক্তি আমাকে তুলে নিয়ে যান। তাদের দু’জন আমার হাত বাঁধেন এবং তৃতীয়জন আমার শরীরে কেরোসিন ঢেলে দেন।

পরে তারা আমার শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। এ সময় তাকে জয় শ্রী রাম স্লোগান দিতে জোর করা হয়।

তবে ধর্মীয় এই স্লোগান দিতে ওই কিশোরকে বাধ্য করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। চন্দওলি জেলার পুলিশ সুপার সন্তোষ কুমার সিং বলেন, ওই কিশোর একেক জনের কাছে একেক ধরনের বক্তব্য দিয়েছে।

বার্তাসংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া অবস্থায় ওই কিশোরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিভিন্ন জনের কাছে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেয়ায় আগুনে শরীর ঝলসে যাওয়ার এ ঘটনাকে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে, এটা তাকে কেউ শিখিয়ে দিয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজের ভিডিও সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ। তবে যে সেতু থেকে তাকে অপহরণ ও যেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, সেসব স্থানের ভিডিও ফুটেজে তাকে দেখতে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved 2018 shilonbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com