বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

নতুন চালে জনমনে স্বস্তি

নতুন চালে জনমনে স্বস্তি

শীলনবাংলা রিপোর্ট : ঘরে ঘের নবান্ন উৎসব। নতুন ধানের ঘ্রাণ। বাজারে নতুন ধানের রেশ ধরে কমেছে চালে দাম। ফিরেছে স্বস্তি। শুক্রবার ছুটির দিনে রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজিতে চার থেকে পাঁচ টাকা কমেছে বিভিন্ন ধরনের মোটা ও চিকন চালের দাম।

রাজধানীর পাইকারি চালের বাজার কারওয়ানবাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে দেখা গেছে, আসতে শুরু করেছে নতুন চাল।
বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই-তিন মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে চালের দাম। কিছুদিন আগেও ৫৮-৬২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকায়। কেজিপ্রতি ৩০-৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণা, পাইজাম, আটাশ, গুটিসহ মোটা জাতের চাল।

খুচরা বাজারেও কমেছে চালের দাম। তবে, এখনো পাইকারি বাজারের সঙ্গে পার্থক্য অনেক। পাইকারি বাজারে ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে মিনিকেট চাল বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০ টাকায়। ৪০ টাকার কমে মিলছে না মোটা চালও।

মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ বাজারে খুচরা ও পাইকারি দরে বিক্রি হয় চাল। তবে কৃষি মার্কেট খুচরা বাজারের চালের দরের চেয়ে এ বাজারের পাইকারি দর বেশি। চালের দাম কমার প্রভাব খুব একটা দেখা যায়নি স্থানীয় মুদিও দোকান ও খুচরা দোকানেও।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের তিতাস এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘চালের দাম কম। গত তিন-চার মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে চালের দাম কমছে। নতুন চাল কিছু কিছু আসছে। পুরোপুরি নতুন চাল বাজারে এলে দাম আরো কমে যাবে।’

বিক্রেতারা আরো জানান, ‘চালের দাম কমতে শুরু করলে চাহিদা কমে যায়। ফলে বিক্রিও কম হয়।’

‘ক্রেতারা মনে করেন, দাম আরো কমবে, তাই বিক্রি কমে যায়। আবার যখন দাম বাড়ে তখন বিক্রি বাড়ে। ক্রেতারা মনে করেন, দাম আরো বাড়বে।’

একই বাজারের পাইকারি চালের আড়ৎ মেসার্স বিলচাঁন্দক রাইস এজেন্সি’র বিক্রেতা আনিছ বলেন, ‘চালের দাম কমায় কিছুটা ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছে পাইকারি ব্যবসায়ীদের। ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হলে কারো কিছু যায় আসে না। এটা নিয়ে কারো মাথাব্যথাও নেই। আমাদের ক্ষতিপূরণ কেউ দেয় না। কেউ জানতেও চায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved 2018 shilonbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com