রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৬:০৯ অপরাহ্ন

চরমোনাইবন্ধুদের ঈমানদীপ্ত গর্জন

চরমোনাইবন্ধুদের ঈমানদীপ্ত গর্জন

রাজচিন্তা । আমিনুল ইসলাম কাসেমী

চরমোনাইবন্ধুদের ঈমানদীপ্ত গর্জন

আকাশে মেঘের গর্জন। জমীনে চরমোনাই এর গর্জন। লাগাতার বৃষ্টি, বন্যা, চলছে। এত কিছুর পরেও চরমোনাই ওয়ালারা ঘরে নেই। ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজপথে। একজন – দুজন নয়। হাজার হাজার চরমোনাই এর কর্মি। খোদ সংগঠনের নায়েবে আমীর সাহেবের ঈমানদীপ্ত বজ্রকণ্ঠ আবার জেগে ওঠেছে।

ইহুদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তির প্রতিবাদে গতকালের কর্মসুচি ছিল। শায়েখে চরমোনাই সৈয়দ ফয়জুল করীম সাহেব দাঃ সাহেবের নেতৃত্বে মানববন্ধন এবং মিছিলে স্বতস্ফুর্ত মানুষের অংশগ্রহণ।

সৈয়দ ফয়জুল করীম সাহেবের রাজপথে আগমন মানেই কর্মিদের বাড়তি উৎসাহ- উদ্দীপনা। বাঘের বাচ্চা বাঘ হলেন শায়েখে চরমোনাই। তাঁর ঝাঁঝালো বক্তৃতায় কর্মিগণ প্রাণ ফিরে পান। তিনি যখন ময়দানে বক্তৃতা করেন, পুরো ময়দান থরথর করে কাঁপতে থাকে। সেই সাথে বাতিল শক্তির মসনদ যেন নড়তে থাকে।

সাহসী বীর সেনানী সৈয়দ ফয়জুল করীম। ঠিক দলের নেতা কর্মিগণ সাহসীকতায় ভরপুর। কোন বাতিল শক্তিকে পরোয়া করেনা কখনো। দৃঢ়পদে এগিয়ে চলেছে।
একটা সময়পোযোগী কর্মসুচী চরমোনাই ওয়ালাদের। অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাঈলের সঙ্গে একটা মুসলিম দেশের চুক্তিবদ্ধ হওয়া দুঃখজনক। সেব্যাপারে ফুঁসে উঠলেন চরমোনাই এর পীর সাহেব এবং তাঁর নেতা কর্মিরা। হাজার হাজার কর্মি নিয়ে রাজপথে নেমে পড়লেন। নায়েবে আমীর সৈয়দ ফয়জুল করীম সাহেব স্ব-শরীরে হাজির হলেন। একদম জ্বালাময়ী বক্তৃতা করলেন।

চরমোনাই ওয়ালাদের এটা একটা বড় বৈশিষ্ট। যেটার জন্য আজ তাঁরা দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেছে। তারা যখন অন্যায় অবৈধ কাজ দেখে, তখনই প্রতিবাদে ঝাপিয়ে পড়ে। কোন কালক্ষেপন নয়। সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। চাই সেটা দেশীয় হোক বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হোক। আর সেটা যে কোন সময়ে হোক।

যেখানে অন্যায় সেখানে প্রতিবাদ। যখনই অনিয়ম অনৈতিক কাজ, তখনই গর্জে ওঠে চরমোনাই এর সংগঠনগুলোর প্রতিবাদী কন্ঠ। কোন পরওয়া নেই। কোন ভয় নেই। বীর মুজাহিদের মত তাঁদের বীরত্ব দেখা যায় রাজপথে।
একটা আজীব সংগঠন চরমোনাই ওয়ালাদের। কোন ভাড়াকরা নেতা কর্মি নয়। কাউকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে আসা নয়। একদম গাঁটের পয়সা খরচ করে তারা রাজনীতি করে। কোন লোভ- লালসা নয়। দুনিয়াবী কোন কিছু পাওয়ার আশা নয়। একমাত্র মহান আল্লাহর রেজামন্দী হাসিলের নিমিত্তে তাদের অগ্রযাত্রা। ঈমানের বলে বলীয়ান হয়ে তারা রাজপথে ঝাপিয়ে পড়ে।
বড় আশ্চার্য বিষয়, যখন কোন কর্মসুচি পালনের জন্য আহবান করা হয়, তখন দেখা যায় নেতা- কর্মিদের উচ্ছাস -উদ্দীপনা। দলবেঁধে হাজির হয় প্রোগ্রামে। যেভাবে হোক তারা প্রোগ্রাম সাকসেস করে থাকে।

এক ব্যতিক্রমধর্মী নমুনা চরমোনাইওয়ালাদের মধ্যে। যে দৃষ্টান্ত আর কোন সংগঠনের মাঝে নেই। ঈমানী স্পিরিট, ঈমানী চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁরা রাজপথে গর্জন দিয়ে যাচ্ছে। আর কিছু নয়। ঈমানদীপ্ত গর্জন। যে গর্জনে বাতিল শক্তির মসনদ ভয়ে কেঁপে ওঠে।

এক আল্লাহর উপর ভরসা, তাঁর মদদে ছুটে চলা। বিরাম- বিশ্রামহীন ভাবে সম্মুখ পানে এগিয়ে চলেছে। শত ঝড়- ঝন্জা এর মাঝে হুঙ্কার ধ্বনি। হক- হক্কানিয়্যাতের নিশান উড়িয়ে যাচ্ছে একনিষ্ঠ ভাবে। আল্লাহ তায়ালা এই সংগঠনকে কবুল করুন। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved 2018 shilonbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com