রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:১৬ অপরাহ্ন

একজন খাঁটি দ্বীনের দায়ী হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

একজন খাঁটি দ্বীনের দায়ী হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

একজন খাঁটি দ্বীনের দায়ী হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী

মাওলানা আমিনুল ইসলাম : একেই বলে দ্বীনের দায়ী। কোন সময় বসে থাকেন না তিনি। সারাটা বছরই তাঁর প্রোগ্রাম। কি গ্রীষ্ম, কি বর্ষা, কি রোদ, কি বৃষ্টি, কি ঝড়-তুফান। হাফিজুর রহমান সিদ্দিকীর মাহফিল আছেই।

আমাদের দেশের ওয়াজের সিজন সাধারণত, নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত। বাকি সময় গুলো কিন্তু ওয়াজ মাহফিল তেমন হয় না। তবে হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী সাহেবের মাহফিলের কোন সিজন নেই। কোন টাইম- টেবিল নেই। বছরের যে কোন সময় তাঁর মাহফিল হয়ে থাকে।

শীতের সিজন তো মাহফিল আছেই। কোন দিন একাধিক প্রোগ্রাম করেন তিনি। রাত ছাড়া দিনের বেলাতেও তাঁর ওয়াজ চলে।

এমনি ভাবে প্রচন্ড বর্ষার মাঝেও হাফিজুর রহমান এর প্রোগ্রাম হচ্ছে। কোন কিছু বাঁধ মানছেনা তাঁর মাহফিল। সব কিছু উপেক্ষা করে প্রোগ্রাম চলছেই।

বাংলাদেশে হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী এক নন্দিত বক্তা। সর্ব মহলে যার জনপ্রিয়তা। কোন ভেদাভেদ নেই তাঁর মাহফিলে। সর্ব স্তরের মানুষ জমা হয়ে থাকে। দল মত নির্বিশেষে সকলকে দেখা যায় হাফিজুর রহমানের প্রোগ্রামে।

তিনি একমাত্র বক্তা এদেশে। সকল শ্রেণীর মানুষের মন জোগাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর মন মাতানো সুর আর তথ্য বহুল আলোচনায় স্রোতাদের হৃদয় কেড়ে নিয়েছে।

হাফিজুর রহমান সিদ্দিকীর মাহফিলে স্রোতাদের মাঝে কোন ডিভাইডেড নেই। কালিমা গো মুসলমান শরীক হন তাঁর বয়ানে। যেমন আজকাল দেখা যায়, অধিকাংশ ওয়ায়েজ গন স্রোতা ভাগ করে ফেলেছেন। কিছু আছে দলীয় ব্যানারে, কিছু আছে পীর – মুরীদ কেন্দ্রিক। কিন্তু হাফিজুর রহমান সাহেবের প্রোগ্রামে কোন দলীয় লেভেল নেই, আবার কোন পীর- মুরীদের লেভেল ও নেই। তিনি এক ব্যতিক্রম ধর্মী ওয়ায়েজ। সকল শ্রেণীর মানুষের সমাগম তাঁর মাহফিলে।

আর একারণে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী। যেখানেই মাহফিল সেখানেই উপচেপড়া ভিড়।ময়দানে তিল ধরনের ঠায় হয় না।

তাঁর বয়ান শোনার পাগল দেশ- বিদেশের স্রোতা। জোয়ান, বুড়া, সবাই শুনতে চায়। সরাসরি মাহফিলে বয়ান শোনা ছাড়াও মোবাইলে, অডিও, ভিডিও এর মাধ্যমে মানুষ শুনে থাকে। আমাদের দেশের প্রতিটা ঘরে- ঘরে, দোকানে- দোকানে, মার্কেটে ওয়াজ বাজতে শোনা যায় হাফিজুর রহমান এর।

গতকাল সিদ্দিকী সাহেবের মাহফিল ছিল পাংশা রশিদীয়া মাদ্রাসায়। ওয়াজ মাহফিলে মুসলধারে বৃষ্টি হল। পুরো মাঠ ভরে গেল কাদায়। কিন্তু কাদা হাফিজুর রহমানের বয়ান থেকে ফেরাতে পারল না। কাদার মধ্যে দাঁড়িয়ে ওয়াজ শুনল স্রোতারা।
এক অনন্য ভালবাসার নজির স্হাপন করল রাজবাড়ির পাংশার স্রোতারা।

আল্লাহ তায়ালা সকলকে কবুল করুন। আমিন।

লেখক : শিক্ষক ও সমাজ বিশ্লেষক

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved 2018 shilonbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com