মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

‘অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য হয়তো অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যগুলো পর্যবেক্ষণে আনা হয়েছে’

‘অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য হয়তো অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যগুলো পর্যবেক্ষণে আনা হয়েছে’

ড. তুরিন আফরোজ। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করছেন; একই সঙ্গে তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের চেয়ারম্যান। শুধু আইনাঙ্গন নয়; পেশাগত জীবনে সাফল্যের কারণে ইতোমধ্যে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন দেশব্যাপী। ব্যারিস্টার তুরিন যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনি থেকে এলএলএম (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ল’) এবং মনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ-ডি ডিগ্রী লাভ করেন।

ষোড়শ সংশোধনী রায়ের পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে নানান প্রশ্ন নিয়ে তাঁর মুখোমুখি হয়েছেন ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডট কম সম্পাদক ড. বদরুল হাসান কচি। সাক্ষাৎকারটি শীলনবাংলার পাঠকদের উদ্দেশে প্রকাশিত হলো-

আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ.বি.এম খাইরুল হক সম্প্রতি ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ের বিষয়ে আইন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সাংবিধানিক দায়িত্বে থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এমন প্রতিক্রিয়া তিনি দেখাতে পারেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। আসলেই কি পারেন না পারেন না?

ড. তুরিন আফরোজ : প্রশ্ন তোলা আমাদের এক ধরণের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। অথচ সে প্রশ্নের উত্তরগুলো আমরা খুঁজি না। রাষ্ট্রের প্রতি আইনজীবীদের দায়বদ্ধতা আছে। সেই জায়গা থেকে অযথা সংবাদ সম্মেলন, টক শো বা প্রতিবাদ সমাবেশ না করে বরং আইন কমিশন ১৯৯৬ সালের আইনটি দেখলেই হয়। আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষমতা সেই আইনেই দেয়া হয়েছে। ১৯৯৬ সালের আইন কমিশন আইনের প্রস্তাবনায় বলা আছে প্রচলিত আইনসমূহকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যুগোপযোগী সংস্কার করার উদ্দেশ্যেই আইন কমিশন গঠিত হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আইন কাকে বলে? আইন বলতে কি কেবল সংসদ থেকে পাস হওয়া আইনগুলোকেই বোঝায়? সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের সংজ্ঞা নিয়ে যে ব্যাখ্যা আছে সেটা কিন্তু শুধু পার্লামেন্টে পাশ হওয়া আইনগুলোকে বুঝায় না। আমরা কমন ল’ কান্ট্রি। কমন ল’ কান্ট্রির একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এখানে আইনের একটি উৎস হলো রায়। সুতরাং সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট যেসব রায় দেন, সেগুলোও একধরনের আইন। আর সেই আইনের সংস্কার এবং পর্যালোচনা করার নিমিত্তেই আইন কমিশন গঠিত হয়েছে। আইন কমিশন আইনের ধারা ৬ -এ কমিশনের যে সকল কার্যাবলি উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে আইন নিয়ে পরস্পর বিরোধী বিষয় থাকলে সেটা নিয়ে আইন কমিশনের গবেষণা ও পর্যালোচনার অধিকার আইন কমিশনের আছে। অথচ এসব কিছু বিবেচনা না করে একজন বিচারপতি ব্যক্তি খায়রুল হকের প্রতি আক্রমণ করা হচ্ছে। কিন্তু তিনি যে একটা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আছেন এবং সেই জায়গা থেকে প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার উনার আছে যা কি-না মেন্ডেটেড আন্ডার দ্যা ল’। সুতরাং আমি মনে করি এখানে অহেতুক প্রশ্ন তুলে বিতর্কের সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার কোনো মানে হয় না।

এই প্রতিক্রিয়া আদালত অবমাননার শামিল বলে আদালতের নজরেও এনেছেন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। কিন্তু গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান বিচারপতি এই রায় নিয়ে কাউকে রাজনীতি না করতে আহবান জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন প্রধান বিচারপতি রায়ের এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে নিজেই রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। এ বিষয়টিতে আপনার মন্তব্য কি?   

ড. তুরিন আফরোজ : ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে প্রধান বিচারপতি নিজেই বলেছেন রায় নিয়ে সাধারণ মানুষ কথা বলবে, প্রতিক্রিয়া জানাবে আর এটাই হচ্ছে জবাবদিহিতার জায়গা। সাধারণ মানুষ কোনো রায় গ্রহণ করবে নাকি ছুঁড়ে ফেলে দেবে সেটার উপর নির্ভর করে বিচারপতি ও বিচার বিভাগের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। কিন্তু আজকে রায় নিয়ে যে রাজনীতি হচ্ছে সেটার সূত্রপাত রায় থেকেই হয়েছে। কারণ রায়ের ২৪৬ নং পৃষ্ঠায় তিনি নিজেই বলেছেন রায় নিয়ে সাধারণ জনগণ, মিডিয়া কিংবা সিভিল সোসাইটি আলোচনা-সমালোচনা করবে। কারো পছন্দ হবে কারো হবে না, কেউ দু’টো ভালো কথা বলবে কেউ কটু কথা বলবে। ফলে রায় নিয়ে রাজনীতিকরণের সুযোগ রায়ের পর্যবেক্ষনেই দেয়া হয়েছে এই রাজনীতির সূত্রপাত রাজপথে হয়নি। এখন রায় নিয়ে সংসদের মত ভোটাভুটির জায়গা চলে এসেছে। কারণ প্রধান বিচারপতি রায়ে নিজেই বলেছেন বিচার বিভাগ এই ধরণের জবাবদিহিতা দিতে বাধ্য। রায় পরবর্তী আলোচনা সম্পর্কেও তিনি বলেছেন গঠনমূলক সমালোচনা তিনি গ্রহণ করবেন। এখন এটা তো একটা আপেক্ষিক বিষয়, আমার কাছে যা গঠনমূলক তা আপনার কাছে গঠনমূলক না ও হতে পারে!  আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে ঝাঁপি খুলে রায় নিয়ে সমালোচনার সুযোগ যখন করে দেয়া হবে তখন এটা নিয়ে রাজনীতি হবেই।

রাজনৈতিক ইস্যু করা কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে কি?

ড. তুরিন আফরোজ : এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ইচ্ছাকৃত কি–না তা আমি বলতে পারবো না। কারণ প্রধান বিচারপতির মনস্তাত্ত্বিক বিষয় বোঝার ক্ষমতা আমার নেই। তবে অবজেক্টিভলি যদি  বিশ্লেষণ করি তবে আমি বলবো যে হ্যাঁ, দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার জন্য অযথা অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যগুলো পর্যবেক্ষনে করা হয়ে থাকতে পারে। কারণ শুধু প্রধান বিচারপতির জাজমেন্ট নিয়েই আলোচনা বেশি হচ্ছে বাকি ছয় বিচারপতির জাজমেন্ট নিয়ে কিন্তু বিতর্ক নেই।

সম্প্রতি আইনমন্ত্রী ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ এনেছেন? বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন?

ড. তুরিন আফরোজ : প্রধান বিচারপতি লিখিত রায়ের ৫৪ নাম্বার পৃষ্ঠায় সুস্পষ্টভাবে তিনি বলেছেন একক নেতৃত্বে বা একজনের কল্যাণে কোনো রাষ্ট্র স্বাধীন হয়নি। এটা একটা তির্যক মন্তব্য। যা কি-না বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের জন্য ভ্রমাত্মক। অন্যকোন দেশের উদাহরণ দিলে কোন বিতর্ক থাকতো না। কারণ বাংলাদেশ পৃথিবীর প্রথম রাষ্ট্র যারা রাইট অফ সেলফ ডিটারমিনেশন ব্যবহার করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। বাংলদেশ হওয়ার আগে কঙ্গো ও বায়াফরা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল কিন্তু স্বাধীনতা লাভ করে রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে পারেনি। ১৯৭১ সালে জন্ম নেয়া বাংলাদেশ-ই বিশ্বের বুকে প্রথম রাষ্ট্র যারা আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ব্যবহার করে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি স্থান দখল করতে পেরেছে। দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক নথি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় একজন ব্যক্তির স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার কথা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করা আছে। কারণ জেনেভা কনভেনশনের অ্যাডিশনাল প্রটোকল ১- এর  অনুচ্ছেদ ১- এর সাব আর্টিক্যাল- ৪ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে একজন অবিসংবাদিত নেতার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আসতে হবে। এখন আমরা যদি বলি একজনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা আসেনি তাহলে কিন্তু বাংলাদেশ একটি অবৈধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। ফলে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ আর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকাতে পারবে না। একইসঙ্গে বাংলাদেশের জন্ম ও অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়। নেলসন ম্যান্ডেলা ছাড়া আফ্রিকা চিন্তা করা যায়না, গান্ধীকে ছাড়া যেমন ভারতকে চিন্তা করা যায় না ঠিক একইভাবে বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া বাংলাদেশকে চিন্তা করা যায়না। ফলে প্রধান বিচারপতি ‘একজনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা আসেনি’ সম্পর্কিত যে তির্যক মন্তব্য রায়ে করেছেন তা কি ইতিহাস বিকৃতির শামিল নয়? একজন বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করা মানে আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ এমনকি বাংলাদেশ জন্মকে অস্বীকার করা। ফলে এই ধরণের মন্তব্য নিঃসন্দেহে ইতিহাস বিকৃতির পর্যায় পড়ে।

রায় পরবর্তী রায়ের পক্ষ-বিপক্ষ অবস্থান নিয়ে সারাদেশে আইনজীবীরাও বিভক্ত। অব্যাহত রয়েছে প্রতিবাদ কর্মসূচী। এতে কি আদালতের প্রতি জনগণের বিরূপ ধারনা জন্ম নিচ্ছে কি?

ড. তুরিন আফরোজ : আদালতের প্রতি বিরূপ ধারণা তৈরির জন্য শুধুমাত্র বাহিরের সমাজকে দায়ী করলে চলবে না। আদালতকেও দায়িত্ববান হতে হবে। আদালতের সম্মান, বিচারপতির পদ ও পদমর্যাদা দায়িত্বের সাথে সংরক্ষণ করতে হবে। দ্বিধাবিভক্তি সব সমাজেই আছে, ন্যায় অন্যায়ের যুদ্ধ সব সময়ই হবে। সত্য-মিথ্যার মধ্যে লড়াই অনিবার্য। সে দিক থেকে আমি বলবো আজকে এই রায় নিয়ে দ্বিধাবিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে সেটাও সমাজেরই বৈশিষ্ট্য। সাদা-কালোর মধ্যে যে কোন একটি জয়লাভ করে। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় আদালতের প্রতি জনগণের বিরূপ ধারণা তো আদালত কর্তৃক সংবিধান লঙ্ঘনের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে। সংবিধান লঙ্ঘন করে আদালত কি তার সম্মান ধরে রাখতে পেরেছে? একইসঙ্গে আমি এটাও বলতে চাই, হ্যাঁ একটা সময় আদালত সামরিক ফরমান বা মার্শাল ল’ কে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার পর আদালতের প্রতি সম্মানটা ফিরে এসেছে। জনগণ আবার আদালতকে সম্মান করা শুরু করেছিল। ফলে আদালতের প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয়টি আদালতের ন্যায় বিচারের ওপর নির্ভর করে। আমরা একটা কঠিন সময় পার করছি। আশা করছি খুব শিগগিরই এই ন্যায়-অন্যায়ের যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে।

উত্তরণের পথ কি হতে পারে?

ড. তুরিন আফরোজ : উত্তরণের বিভিন্ন দিক আছে। তাত্ত্বিক উত্তরণের কথা যদি বলি তবে আবার নতুন করে সংসদ আইন পাস করে বিচারপতি অপসারণের পদ্ধতির সংশোধনী আনতে পারে। সেই ক্ষমতা তো সংসদের আছে। অথবা রায়ের বিরুদ্ধে সরকার রিভিউ করে করতে পারেন। এছাড়া আদালত নিজেও রায়ের অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো স্ব- প্রণোদিত হয়ে এক্সপাঞ্জ করতে পারেন। কারণ এই মামলাতেই হাইকোর্টের আপত্তিকর বক্তব্য আপিল বিভাগ এক্সপাঞ্জ করেছেন। জাজরাও যে সকলের উর্ধ্বে বা ভুলের উর্ধ্বে তা কিন্তু না। সুতরাং এই সংকট নিরসনে আদালত নিজেও উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন।

অন্যদিকে প্রায়োগিক উত্তরণের ক্ষেত্রে এই রায়ের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমঝোতার মাধ্যমে হতে পারে। অন্যথায় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৭ অনুযায়ী যে কোন রাষ্ট্রীয় সঙ্কটে রাষ্ট্রপতি সমস্যা সুরাহা করার দায়িত্ব নিতে পারেন। উনার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী সমাধানের পথ পাওয়া যেতে পারে। কারণ সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল এখন অটোম্যাটিক রিভাইব করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে একটা সভাও করেছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল। তাড়াহুড়ো করে এসব কেন করা হচ্ছে তা ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। এখন রাষ্ট্রপতি সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে এই সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ বাতলে দিতে পারেন বলে আমার বিশ্বাস।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল কার্যকর হয়েছে বলে মনে করেন কি?

ড. তুরিন আফরোজ : সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল অটোম্যাটিক্যালি কার্যকর হয়েছে বলে মনে করি না। রায় দিয়েই পরের দিন একটা সভা করা এক ধরণের ইগো প্রবলেম বলে আমি মনে করি। ফলে মনে হচ্ছে বিচার বিভাগ যেন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল কে তৈরি করল কখন করল সেটা আমরা বুঝতেই পারলাম না। এটা তো সমন করবেন রাষ্ট্রপতি অথচ প্রথম সভার সময় সম্ভবত তিনি দেশেই ছিলেন না! এটা নিয়ে এতো তোড়জোড় কেন বুঝতে পারলাম না। একটা রায় এসেছে সেখানে কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং হবেই। যেহেতু এটা একটা সাংবিধানিক ইস্যু। তারপর না হয় একটা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন পদ্ধতি শুরু করার কাজ হাতে নেয়া হবে। কথা নাই বার্তা নাই তড়িঘড়ি করে একটা সভা করে ফেললাম এটা কিন্তু দৃষ্টিকটু একটা ব্যাপার।

ধন্যবাদ আপনাকে

ড. তুরিন আফরোজ: আপনাকে এবং ল’ ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডট কমের সকল পাঠককে ধন্যবাদ।

-ল’ ইয়ার্স ক্লাব-এর সৌজন্যে

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved 2018 shilonbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com